যেসব খাবার অকালে চুল পাকা রোধ করবে

hair1446111333ডেস্ক : চুল কী শুধু বয়সের কারণেই পাকে? না, চুল ধূসর বা সাদা হয়ে যাওয়ার অন্তরালে রয়েছে আরও অনেক কারণ। অনেককেই দেখবেন অল্প বয়সেই চুল ধূসর হয়ে গিয়েছে, আবার অনেকের বয়স হওয়া সত্ত্বেও চুলে পাক ধরেনি। এর পেছনে জিনগত কারণ তো আছেই, আবার আছে লাইফস্টাইল ও খাবারের ভূমিকাও।

জেনে নিন এমন কিছু খাবারের কথা, যেগুলো চুল পাকার গতিতে করবে মন্থর, অকালে চুল পাকতে দেবে না।

 

* পালং শাক: চুলের স্বাভাবিক রঙ ঠিক রাখতে বিশেষ সাহায্য করে পালং শাক। এটি পিগমেন্ট তৈরি করে যা চুলের স্বাভাবিক রঙ ধরে রাখে।

 

* বিনস: বিনস-এ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। সেই একই জিনিস দিয়ে তৈরি আমাদের চুলও। ফলে চুল ঠিক রাখতে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন।

 

* ডিম: শরীর ও চুলের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি১২ সরবরাহ করে ডিম যা চুলকে বেরঙ হওয়া থেকে বাঁচায়।

 

* মাংস: শরীরে আয়রনের খামতি হলে চুল সাদা হতে পারে। এই ঘাটতি দূর করতে পারে মাংস বা বলতে গেলে মুরগী বা পাঁঠার লিভার। এগুলো খেলে চুল কালো রাখতে সুবিধা হয়।

 

* বেরি জাতীয় ফল: ব্লু বেরি, স্ট্রবেরি, চেরি ইত্যাদিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা মাথার চামড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে। ফলে তাজা রক্ত পৌঁছতে পারে চুলের গোড়ায় যা চুলকে কালো রাখতে সাহায্য করে।

 

* গাজর: ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান হল ভিটামিন এ। আর গাজরে তা ভরপুর পরিমাণে রয়েছে। চুলের জন্য প্রয়োজনীয় মেলানিনের জোগান দেয় ভিটামিন এ।

 

* চকলেট: চিনি বিহীন কিংবা স্বল্প চিনিযুক্ত চকলেটে আছে প্রচুর পরিমাণে কপার যা মেলানিন তৈরিতে সহায়ক। এই মেলানিনই আমাদের চুলের রঙ কালো করার ভূমিকা পালন করে। সারাদিনে অল্প চকলেট খেলে কোনো ক্ষতি নেই।

 

* কাঠবাদাম: চকলেটের মত কাঠবাদামেও আছে প্রচুর কপার যা মেলানিনের পরিমাণ ঠিক রাখে। এছাড়া আছে প্রচুর ভিটামিন ই, যা সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য খুবই জরুরি।