আইএসে যোগ দেয়ার চেষ্টায় অভিযুক্ত মুসলিম মহিলা

JU UKজুয়েল রাজ, যুক্তরাজ্য :: আইএসে যোগ দেয়ার জন্য সন্তানদের নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক ধর্মান্তরিত মুসলিম মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। এছাড়া ওই মহিলার সঙ্গে আরো কয়েকজনকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এদের মধ্যে আজাইয়া, ক্যারি টমারসন সাজিদ আসলাম,লরনা মুর, ন্যাশ, জ্যাক পেটি, নামে কয়েকজন ইতিমধ্যে সিরিয়ায় যুদ্ধে নিহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। মিডল্যান্ডের ওয়ালসাল শহরের এসব বাসিন্দারা একে অপরের পরিচিত।
এদিকে গর্ভবতী অনেক মুসলিম মহিলা সিরিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ওয়ালসালের কয়েকজন তাদের স্ত্রী এবং সন্তানদের আইএসে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছে। এদের মধ্যে ধর্মান্তরিত জ্যাক প্যাটি আইএসের হয়ে যুদ্ধে নিহত হয়। আজাইয়া নামের একজন তার স্ত্রীকে আইএসে যোগ দিতে প্ররোচিত করে, তবে সন্তান নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশ আজাইয়ার স্ত্রী ক্যারি টমারসনকে আটক করে। আজাইয়াকে সহযোগিতার কথা স্বীকার করেছে ক্যারি।
অন্য আরেকজন সাজিদ আসলাম তুরস্কে ইংরেজির শিক্ষক হিসেবে কর্মরত বলে জানানো হয়েছে। সাজিদের আইএসে যোগ দেয়ার চেষ্টার কথা পুলিশকে না জানানোর অভিযোগ দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তার স্ত্রী লরনা মুরকে।
নর্দান আয়ারল্যান্ডে খ্রিস্টান পরিবারে জন্ম নেয়া মুর সাজিদের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিন সন্তানসহ তিনি আইএসে যোগ দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরেক দম্পতি তুরস্ক যাওয়ার পথে আটক হন পুলিশের হাতে। আটক হওয়া ন্যাশ নামের একজন স্বীকার করেছে তিনি আইএসে যোগ দিতে চেয়েছিলেন।
জ্যাক পেটির মা তার সন্তানের ব্যাপারে পুলিশকে জানিয়েছেন। তার ছেলে জ্যাক পেটি লিখেছেন ইসলামী আইনের অধীনে বসবাসের জন্য মানুষের জন্ম হয়েছে। এর কিছু সময় পরই তিনি যুদ্ধে মারা যান। এইমিন ওকত নামের এক ব্যক্তি নিজের ঘরে আইএসে পতাকা টাঙ্গিয়ে রেখেছেন। আইএসে যোগ দিতে সহায়তার জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এরা পরস্পর একে অপরকে জানতেন। এদিকে স্থানীয় মসজিদ কর্তৃপক্ষ এদের জানতেন না বলে জানান।
এই দলের যারা সিরিয়ায় গেছেন তাদের সবাই নিহত হয়েছেন এবং তাদের স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যরা এখন জেলদণ্ডের অপেক্ষায় আছেন।