জলাবদ্ধতায় নাকাল পৌরবাসী

1111জুনেদ ইকবাল : গতকাল মঙ্গলবার হঠাৎ আকাশ ছেয়ে কালো মেঘের ঘনঘটা। সকাল ১০ থেকে নেমে আসে মুষলধারে বৃষ্টি চলে সারা রাত । মৌসুমী বৃষ্টিতে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে পৌরবাসী।সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায় কয়েক ঘন্টা ।

বৃষ্টিতে কোথাও হাঁটু পানি, কোথাও কোমর পানি জমে গেছে।বিয়ানীবাজার থানার সম্মখ, খাসাড়িপাড়া রোড়, মোকামরোড়, সরকারি কলেজ সম্মুখ, চাউলগলি, শহিদ টিলা, সুপাতলা রাস্তার মুখসহ পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বৃষ্টি আর সড়কে জমে থাকা পানির কারণে অফিস ফেরত লোকজন ও স্কুল ফেরত শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েন। বৃষ্টিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে দাঁড়িয়েও গাড়ি পাননি ঘর ফেরত লোকজন।

2222

নুরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী বিয়াসনীবাজারকণ্ঠকে বলেন,‘জনপ্রতিনিধিরা বারবার প্রতিশ্রুতি দেন জলাবদ্ধতা নিরসনের কথা বলেন। কিন্তু তা নিরসন হয় না। বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার কষ্টে ভুগতে হয় নগরবাসীকে।’

রসূল উদ্দিন নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা বিয়ানীবাজারকণ্ঠকে বলেন,‘ঠিক সময়ে সঠিকভাবে নালা-নর্দমাগুলো পরিস্কার করা হলে এ দুর্ভোগে পড়তে হতো না। অনেকগুলো ড্রেনে ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে পানি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।’

smart

পিএইচজি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজিদ আহমদ বিয়ানীবাজারকণ্ঠকে বলেন,‘ছোট বেলা থেকে দেখছি সামান্য বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কিন্তু কার্যকর কোন ব্যবস্থা এ পর্যন্ত চোখে পড়েনি। হয়তো বা শিক্ষাজীবন শেষ করে চাকরিতে যোগদান করলেও আমাদের এ কষ্ট শেষ হবে না। ’

বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রশাসক তফজ্জুল হোসেন বিয়ানীবাজারকণ্ঠকে বলেন,পৌরশহরের জলাবদ্ধতার জন্য সওজের অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণের জন্য জলাবদ্ধতার সুষ্টিহচ্ছে। আমাদেও নিয়ন্ত্রনে যেসমস্ত রাত্সা ও ড্রেন রয়েছে সেগুলো আমরা নিয়মিত পরিস্কার কওে থাকি।