বিয়ানীবাজারে নৌকার পালে হাওয়া নেই

NOWCAমিলাদ জয়নুল : আগামী ৪জুন বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা আইনশৃংখলা বিষয়ক সমন্বয় সভায় নির্বাচন সুষ্টু ও অবাধ হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়ায় বিরোধীমত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে শঙ্কা কিছুটা হলেও কমেছে। উপজেলায় মোট ৪৮জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন।

 

 

স্থানীয় নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের সবক’টিতে আওয়ামীলীগ, ৯টিতে বিএনপি, ৩টিতে এরশাদের জাতীয়পার্টি, ১টিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ১টিতে জাসদ (ইনু) প্রার্থী দিয়েছে। এসব প্রার্থীদের জন্য তাদের দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী এখানকার ৫টি ইউনিয়নে এবং প্রয়াত আল্লামা ফুলতলী সাহেব কিবলাহ’র প্রতিষ্টিত আনজুমানে আল ইসলাহ ১টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্ধিতার জন্য দলগতভাবে প্রার্থী ঘোষনা করেছে। তবে তাদের নিবন্ধন না থাকায় দলীয় প্রতীক বরাদ্দ করা হয়নি বলে জানান নির্ব্চান কর্মকর্তা সৈয়দ মো: কামাল হোসেন।

ADD 444এদিকে সরজমিন ঘুরে জানা যায়, বিয়ানীবাজারের ১০টি ইউনিয়নের সবক’টিতে কঠিন চ্যলেঞ্জের মুখে পড়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থীরা। প্রার্থী মনোনয়ন, উপজেলা নেতাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা, তৃণমূলে বিদ্রোহ, দলীয় নেতাকর্মীদের পাওয়া-না পাওয়ার দহন ইত্যাদি কারনে এ উপজেলায় নৌকার প্রার্থীদের পালে হাওয়া নেই। তাছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলীয় প্রার্থীদের চোখ রাঙ্গাচ্ছেন। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামীলীগ দু’টি, বিএনপি তিনটি, জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনটি ও আওয়ামীলীগ-বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী দু’টিতে এগিয়ে রয়েছেন।

 

 

নির্বাচন নিয়ে জানতে চাইলে কুড়ারবাজারে বিএনপির প্রার্থী আবু তাহের জানান, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ভোটাররা ধানের শীষে ভোট দিতে আগ্রহী। আবার নৌকার প্রার্থী তিলপাড়ার এমাদ উদ্দিন বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূল করতে ভোটাররা শেখ হাসিনার নৌকাকে বেছে নেবেন।