এগারো বছর অস্ট্রেলিয়া-বধের

Bangladesh1466244093ডেস্ক : আজ সেই বিশেষ দিন। ২০০৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ক্রিকেট-বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছিল। কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে সেদিন উৎসবে মেতেছিল টাইগাররা। শুধুই কি কার্ডিফ? গোটা বাংলাদেশেও কি সেদিন আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়নি?

 

সে সময়কার প্রেক্ষাপট ধরে নিলে বাংলাদেশের হাতে অস্ট্রেলিয়ার পরাজয়টি ছিল ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম অভাবনীয় ঘটনা। বাংলাদেশের ক্রিকেটে তাই আজও দিনটি অন্য রকম হয়ে আছে।

 

ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের দ্বিতীয় সেই ম্যাচের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়াকে ধাক্কা দেয় বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল অস্ট্রেলিয়া। আর ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ওপেনার অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে সাজঘরে ফেরত পাঠান মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশের বোলারদের বোলিং তোপে এক পর্যায়ে ৫৭ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ড্যামিয়েন মার্টিন ও মাইকেল ক্লার্কের ফিফটিতে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া।

 

২৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। ৭২ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে টাইগাররা। তবে এর পরই দলের ত্রাণকর্তা হয়ে দেখা দেন মোহাম্মদ আশরাফুল। অধিনায়ক হাবিবুল বাশারকে সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ১৩০ রান যোগ করেন তিনি। বাশার ব্যক্তিগত ৪৭ রানে ফিরলেও দারুণ এক সেঞ্চুরি করে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়ে বিদায় নেন আশরাফুল।

SMশেষ ওভারে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৭ রান। ক্রিজে ছিলেন আফতাব আহমেদ ও মোহাম্মদ রফিক। স্ট্রাইকে ছিলেন আফতাব। শেষ ওভারে জ্যাসন গিলেস্পির করা প্রথম বলেই মিড-উইকেটের ওপর দিয়ে বল সীমানা ছাড়া করেন আফতাব, ছক্কা। আর পরের বলে ১ রান নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ।

 

আশরাফুলের সেঞ্চুরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও সেদিন দারুণ দলীয় প্রচেষ্টায় ৫ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ। কার্ডিফের ওই ম্যাচে জয়ের পর অবশ্য বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে আর হারাতে পারেনি।