ভোলাগঞ্জে অবৈধ পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান

বিয়ানীবাজারকণ্ঠ ডেস্ক ::

সিলেটের ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারীতে পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ বোমা মেশিন মালিকদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।

এর আগে বিকেলে ১৭০ জন বোমা মেশিন মালিককে আসামি করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত পাথর কোয়ারীর পার্শ্ববর্তী গুচ্ছগ্রামে পুলিশের ওই অভিযান চলে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি আলতাফ হোসেন জানান, ভোলাগঞ্জ কোয়ারী থেকে পাথর উত্তোলন নিষিদ্ধ করা হয়।

বুধবার পাথর কোয়ারীর পার্শ্ববর্তী গুচ্ছগ্রামের দরিদ্র মানুষদের তাড়িয়ে দিয়ে তাদের বাড়ির নিচ থেকে পাথর উত্তোলনের চেষ্টা চালায় পাথরখেকোরা।

উচ্চ আদালতের সুষ্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার পরও বৃহস্পতিবার প্রায় ৭০টি পরিবেশ বিধ্বংসী বোমা মেশিন বসিয়ে তারা দরিদ্র মানুষের বাড়িঘর ভেঙে পাথর তুলতে শুরু করে।

খবর পেয়ে বিপুল সংখ্যাক পুলিশ নিয়ে অভিযান শুরু করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় যন্ত্র দানবগুলোর মালিকরা।

স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব যন্ত্রের মালিকদের ২০ জনের নাম পাওয়া যায়। ‌আরও প্রায় ১৫০ জনকে চেনেনা স্থানীয়রা।

পরে সাব-ইন্সপেক্টর আমিনুর রহমান বাদি হয়ে সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।

এর পরই শুরু হয় তাদের ধরতে অভিযান। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০ জনের তালিকায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে ভোলাগঞ্জের ত্রাস শামীম বাহীনির প্রধান শামীমের ভাগিনা রাসা, তার ব্যক্তিগত সহকারী আনু মিয়া, তাজু , শামীমের সহযোগী আতাউর,কাওছার আহমেদ, আলমগীর মিয়া ।

অন্যদের মধ্যে রয়েছে পুরাতন ভোলাগঞ্জের সিরাজ মিয়ার ছেলে খালেক, আব্দুস সালাম মাধুল এর ছেলে সাব্বির, জয়নাল, দুদু মিয়া,মকতছির আলী, ছালেক,মহির, ফয়জুল, বাবুল মিয়া, আনোয়ার হোসেন, ইলিয়াছ, মকতই, আইন উদ্দিন, রুহুল।

বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়েছেন ওসি আলতাফ হোসেন।