বিয়ানীবাজারে গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, লোডশেডিং চরমে

শিপার আহমেদ ::

গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। শুধু দিনের বেলাতেই নয়, রাতেও গরমে মানুষ ঘুমাতে পারছে না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে শিশু ও বয়স্ক মানুষদের। বিয়ানীবাজারসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার কারণে এই অস্বস্তিকর গরম অনুভূত হচ্ছে। এ তাপপ্রবাহ আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে , আগামী ৩/৪ দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম, তাই গরমে কষ্ট পেতে হবে আরো কয়েক দিন। অনেকেই গরম থেকে বাঁচতে ডাব, শরবতসহ বিভিন্ন পানীয় পান করছেন। এদিকে গরমে পেটের পীড়া, জ্বরসহ ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগ। বৃষ্টিপাত না হওয়া, জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হওয়ায় গরম বেশি লাগছে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে অবস্থিত বাংলাদেশের ঠিক উপরের কর্কটক্রান্তি রেখা ধরে সূর্য ওঠা-নামা করে এ সময়ে। তাই সূর্য ও পৃথিবীর অবস্থানগত কারণে এ সময়ে বাংলাদেশে তাপমাত্রা বছরের সর্বোচ্চ থাকে। আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোটামুটি এ অবস্থাই থাকবে। তবে কোথাও কোথাও তাপপ্রবাহ সামান্য বাড়তে পারে। শুক্রবার হতে বৃষ্টি হতে পারে। তখন তাপমাত্রা কমে আসবে।

বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. মুয়াজ্জেম আলী খান বিয়ানীবাজারকণ্ঠকে বলেন, গরমে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি। এ কারণে মশার উপদ্রপ বেড়েছে। ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, আমাশয়ের মতো রোগ হচ্ছে। এছাড়া হঠাৎ করে তাপমাত্রা বাড়ার কারণে, রোদে রাস্তাঘাটে বের হন তারা হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন। এ জন্য সচেতন থাকতে হবে। গরম থেকে বাঁচতে ডাবের পানি, বাসায় তৈরি শরবত ও ওরস্যালাইন খাবার পরামর্শ দেন এই চিকিৎসক।

এদিকে বিয়ানীবাজারে  লোডশেডিং চরম আকার ধারন করেছে ; তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন”। দিন রাত ১৫-২০ বার বিদ্যুৎ লোডশেডিং দেওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। সকালে মানুষের ঘুম ভাঙ্গার আগেই বিদ্যুৎ চলে গেলেও সারাদিন আসার কোন খবরই থাকে না। সন্ধ্যার দিকে একটু আসলেও রাতে আবার চলে যায় বিদ্যুৎ সারারাত তীব্র গরমে অতিষ্ঠ নাগরিক জীবন। বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎতের দাবি।