বিয়ানীবাজারে শেষ দিনে ব্যাংকে উপচে পড়া ভিড়, নতুন টাকার চাহিদা বেশি

স্টাফ রিপোর্টার ::

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সরকারি অফিসের শেষ দিনে বিয়ানীবাজারের ব্যাংকগুলোতে টাকা তোলার হিড়িক পড়ে যায়। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকে লাইনে দাঁড়িয়ে গ্রাহকরা টাকা তুলেন। উপচে পড়া ভিড়ের কারণে বেশ কয়েকটি ব্যাংকে টাকা সংকটও দেখা দেয়। এ নিয়ে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গ্রাহকদের বাদানুবাদও লক্ষ্য করা যায়। দুপুরের দিকে অবশ্য ব্যাংকগুলোতে টাকা পাওয়া যায়। আবার ব্যাংকগুলোর বুথেও টাকার সংকট দেখা দেয়। দীর্ঘক্ষণ সার্ভারও কাজ করেনি এমন অভিযোগও আসে। এ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা যায়।

পৌরশহরের বিভিন্ন ব্যাংক ঘুরে দেখা যায়,  অনেকে ঈদ সেলামির জন্য নতুন টাকার জন্যও অপেক্ষা করেন। পাঁচশ, একশ, পঞ্চাশ, বিশ ও দশ টাকার চাহিদাও ছিল বেশি। এদিকে টানা ৬ দিন সরকারি ছুটির কারণে ব্যাংক বন্ধ থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ঈদের আগের দিন চাঁদ রাত পর্যন্ত বেচাকেনার টাকা সুরক্ষিত রাখা নিয়ে চিন্তিত তারা। ঈদের আগে এক দিনের জন্য হলেও ব্যাংক খোলা রাখার দাবি তাদের। এতে বিক্রীত টাকা ব্যাংকে রেখে নিশ্চিন্ত থাকতে চান ব্যবসায়ীরা।

এদিকে শুক্র ও শনিবার সপ্তাহিক ছুটি এবং রবিবার থেকে মঙ্গলবার থেকে ঈদুল ফিতরের বন্ধ থাকায় ব্যাংকে স্বাভাবিকভাবে অন্য দিনের চেয়ে ভীড় বেশি ছিল। পুরো রমজান মাসে (জুন) প্রবাসী রেমিটেন্স এসেছে ৬৫ কোটি টাকার এসছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে

 

উপজেলার ২৯ ব্যাংকের ৪৩টি শাখায় রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রবাসী রেমিটেন্স এসেছে ৬০ কোটি টাকার বেশি। গত বছর এ সংখ্যা ৬৫ কোটি টাকার উপরে ছিল। আজ শেষ দিনে রেমিটেন্স আসার উপর নির্ভর গতবারের রেমিটেন্সকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ।