বড়লেখায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব

বড়লেখা প্রতিনিধি ::

হাকালুকি হাওর পারের বড়লেখা উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। অনেকের বসতঘরের ভেতর ও নিমজ্জিত রাস্তাঘাটের পানি নামতে শুরু করেছে। দুর্গত এলাকায় ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিন থেকে নারী-শিশুসহ অন্তত ২০-২২ জন করে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এদিকে, পানিবন্দি মানুষের মধ্যে রোগ বালাই যাতে মারাত্মক আকার ধারণ করতে না পারে সেজন্য গত ১ জুলাই থেকে ১০টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়। বৃহস্পতিবার জেলা সিভিল সার্জন ডা. সত্যকাম চক্রবর্তী হাকালুকি হাওর পারের বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

জানা যায়, ভারী বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে বড়লেখার তালিমপুর, বর্নি ও সুজানগর ইউনিয়নে বন্যা দেখা দেয়। অব্যাহত বৃষ্টিপাতে ইউনিয়নগুলোর নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হতে থাকে। পরে দাসেরবাজার, দক্ষিণভাগ দক্ষিণ, নিজবাহাদুরপুর ও উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নও প্লাবিত হতে থাকে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে স্থায়ী বন্যা দেখা দেয়। বন্যার অবনতিতে প্রায় দেড় লাখ মানুষ গত দেড়মাস ধরে পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করেন। এসব দুর্গত মানুষের বন্যাকালিন ও বন্যা পরবর্তী সময়ে পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ হাসপাতালে ১টি ও বন্যা আক্রান্ত ৯ ইউনিয়নে ৯টিসহ মোট ১০টি মেডিক্যাল টিম গঠন করে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহম্মদ হোসেন জানান, একজন উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসারের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের মেডিকেল টিম বন্যা দুর্গত ইউনিয়নে পানিবাহিত রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসা দিচ্ছে। কিছু ডায়রিয়ার রোগী আছে। তবে তা নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া পর্যাপ্ত ঔষধও মজুত রয়েছে।