হবু অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর ঘাড়েও দুর্নীতির অভিযোগ

ডেস্ক :

পাকিস্তানের হবু অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী শহিদ খাকান আব্বাসির ঘাড়েও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

২২ হাজার কোটি রুপির তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। হবু প্রধানমন্ত্রী আব্বাসির বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে করা দুর্নীতির মামলা তদন্ত করছে পাকিস্তানের জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরো (এনএবি)। তখন তিনি তেল ও খনিজসম্পদবিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন।

সম্প্রতি দুর্নীতি ও অসততার অভিযোগে নওয়াজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রীর পদে অযোগ্য ঘোষণা করেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের রায়ের পর নওয়াজ শরিফ পদত্যাগ করায় প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হয়। শূন্যপদ পূরণে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নওয়াজ শরিফের মুসলিম লীগ খাকান আব্বাসির নাম চূড়ান্ত করেছে। তাকে নির্বাচিত করতে মঙ্গলবার পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হবে।

পার্লামেন্টে মুসলিম লীগ-এন সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় খাকান আব্বাসির অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পথ পরিষ্কার রয়েছে। এর মধ্যেই উঠে এল তার বিরুদ্ধে চলমান মামলার প্রসঙ্গটি। এ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে নওয়াজ শরিফের দল। নওয়াজের মতোই কি তাকে বিদায় নিতে হবে- এটিই এখন প্রধান শঙ্কা।

নওয়াজ শরিফের ছোট ভাই পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ খাকান আব্বাসির স্থলাভিসিক্ত হবেন এবং সরকারের বাকি ১০ মাস তিনি ক্ষমতায় বহাল থাকবেন। শাহবাজ শরিফের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য নওয়াজ শরিফের ছেড়ে দেওয়া সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনে জিততে হবে তাকে। তাও সহজ হবে। কারণ এই আসনে নওয়াজ শরিফের পরিবারের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। যদিও বিরোধী দলগুলো সম্মিলিতভাবে শাহবাজ শরিফের বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, তবুও তার জয়ের সম্ভাবনা শতভাগ।

এদিকে, নওয়াজ শরিফের পতনের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি চলছে। সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বিরোধীদের দোষ-ত্রুটির দিকে আঙুল তুলছেন। সব মিলিয়ে পাকিস্তানে চলছে ধুনধুমার রাজনীতিবাজি।