বিয়ানীবাজারে ব্যাংক কর্মকর্তার আত্মহত্যা : এক অাসামীর তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ

স্টাফ রিপোর্টার ::

যমুনা ব্যাংক বিয়ানীবাজার শাখা ব্যাবস্থাপক স্বজল কান্তি দাসকে আত্মহত্যা প্ররোচনায় অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় আসামী ব্যবসায়ী আলী আহমদ সেলিমকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এ মামলার অপর আসামী ব্যবসায়ী সেলিমের স্ত্রী ও যমুনা ব্যাংক সিলেট বন্দর বাজার শাখার ব্যাংক কর্মকর্তা কামরুন নাহার স্বপ্নাকে জামিন দিয়েছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার আদালত স্বপ্নাকে জামিন আবেদন মন্জুর করেন।

গত ৩১ জুলাই যমুনা ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক স্বজল কান্তি দাসের ঝুলন্ত লাশ পুলিশ সিটি মার্কেটের আল আরাফা ব্যাংক ভবন থেকে উদ্ধার করে। এসময় পুলিশ কক্ষের ভেতর থেকে চিরকুটযুক্ত ডায়রি উদ্ধার করে। এ ডায়রি ব্যাংক কর্মকর্তা স্বজল কান্তি দাসের ছিল। ডায়রি থেকে পাওয়া তথ্যে ব্যাংক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে (লোন সংক্রান্ত) ব্যবসায়ী আলী আহমদ সেলিমের হাত রয়েছে। আলী আহমদ সেলিম যমুনা ব্যাংকের এক পরিচালকের সম্পর্কে বায়রা। ব্যাংক পরিচালকের আত্মীয়তার কারণে তার দাপট ছিল ব্যাংকের অনেকগুলো শাখায়।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ী আলী আহমদ সেলিমের স্ত্রী ব্যাংক কর্মকর্তা কামরুন নাহার স্বপ্নাকে আদালত অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন। কামরুন নাহার স্বপ্নার আইনজীবী জামিন আবেদন করলে আদালত তা মন্জুর করেন।

ব্যবসায়ী সেলিমকে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ গত বুধবার রিমান্ড এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আজ শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, রিমান্ডে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পেয়েছি। এসব তথ্য যাচাই বাচাই চলছে।