যুক্তরাজ্যে জালিয়াতি মামলায় যুবদল নেতার কারাদণ্ড

যুক্তরাজ্যে প্রতিনিধি ::

যুবদল যুক্তরাজ্য শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোয়ালেহীন করিমের বিরুদ্ধে ভুয়া পুলিশ সেজে অর্থ জালিয়াতির সংবাদ প্রকাশ করেছে নিউহাম রেকডার ও সাপ্তাহিক সুরমা পত্রিকা। পত্রিকাগুলো জানিয়েছে, ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন কলের মাধ্যমে পাঁচ লাখ পাউন্ড আত্মসাতের দায়ে এই দণ্ড দেয়া হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর লন্ডনের ওল্ডবেইলি আদালতে এক রায় প্রদান করা হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, এ জালিয়াত চক্র পুলিশ পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোকের কাছে ফোন করে বলত- তাদের ব্যাংক একাউন্ট জালিয়াতরা টার্গেট করেছে। তাই তাদের ব্যাংকের সব অর্থ পুলিশ একাউন্টে ট্রান্সফার অথবা পুলিশ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে নগদ হস্তান্তর করার জন্য।

যাদের কাছে ফোন করা হয়েছে, তারা তার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ৯৯৯ জরুরি সার্ভিসে ফোন করলে এই জালিয়াতচক্র কলকে নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশের পরিচয় দিয়ে কথা বলত। ২০১৪ ও ২০১৫ সালে তারা মিথ্যা কথা বলে ব্লাকপুল, ডারহাম, ডরমেট ও ফেয়ারহামের বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে পাঁচ লাখ পাউন্ড হাতিয়ে নিয়েছে। তারা একজন ভিকটিমের কাছ থেকেই তার সঞ্চিত দুই লাখ ৮৮ হাজার পাউন্ড আত্মসাত করে।

এ জালিয়াতচক্রের সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।

বিচারক রায়ে টাওয়ার হ্যামলেটসের শাহ হোসাইন আলীকে ছয় বছরের, নিউহামের মইনুল হোসেইনকে চার বছর, কিংসটনের নিল নিউবারীকে ছয় বছর, ওয়াটারলিংটনের ডেভিড পেইজকে সাত বছর, ক্লিনি প্লেইসের সোয়ালেহীন চৌধুরীকে ১২ মাস, গ্রিন উইচের পিটার কাউমীকে ১৫ মাস ও চেমসফোর্ডের মনির হোসেইনকে আট মাসের কারাদণ্ড দেন।

সিপিএসর আইনজীবী রবার্ট হাবিলসন বলেছেন, এসব অপরাধী ব্যক্তিগত সম্পদ থেকে এসব অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ চক্র অত্যন্ত সুকৌশলে সহজ-সরল মানুষকে ধোকা দিয়ে কয়েক লাখ পাউন্ড হাতিয়ে নিয়েছে।

এদিকে যুবদলের নেতাকর্মীরা জানান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোয়ালিহীন করিম চৌধুরী যিনি গত কয়েক বছর আগে ইসলামী ছাত্র মজলিস যুক্তরাজ্য থেকে যুবদলে যোগদান করেন। তার বিরুদ্ধে বাঙালি মালিকানাধীন কলেজ করে অনেক অসহায় ছাত্রদের টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ ছিল