‘বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়ারও দাঁতের সমস্যা ছিল’

বিনোদন ডেস্ক ::

নিজের বাঁকা দাঁতের সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন নতুন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জেসিয়া ইসলাম। তিনি বলেছেন, একসময় বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রায়েরও দাঁতের সমস্যা ছিল। বাঁকা দাঁতের সঙ্গে সৌন্দর্য্যের কোনো সম্পর্ক নেই।

তার বাঁকা দাঁত নিয়ে কৌতুক না করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে তাকে ইতিবাচকভাবে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার নিজের ফেসবুকে ইংরেজিতে দেয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন জেসিয়া ইসলাম।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিয়োগিতায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর জান্নাতুল নাইম এভ্রিলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। পরে অভিযোগ ওঠে বিচারকদের রায়ে নয়, আয়োজকরা নিজেদের পছন্দে এভ্রিলকে মিস বাংলাদেশ ঘোষণা করেন। এখানেই থেমে থাকেনি বিতর্ক, এভ্রিল বিয়ের তথ্য গোপন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বলে তথ্য প্রকাশ হতে থাকে।

সমালোচনার মুখে আয়োজকরা ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করে জান্নাতুল নাইম এভ্রিলের খেতাব বাতিল করে। নতুন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ঘোষণা করা হয় পুরান ঢাকার মেয়ে জেসিয়া ইসলামকে। ১৮ নভেম্বর চীনের সানাইয়া শহরে অনুষ্ঠেয় ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে অংশ নেবেন জেসিয়া।

কিন্তু জেসিয়ার নাম ঘোষণার পর থেকে তার দাঁত নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, এমন বাঁকা দাঁতের মেয়ে কীভাবে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ নির্বাচিত হলেন।

এমন সব সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বাঁকা দাঁত নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস  দিলেন জেসিয়া ইসলাম। ইংরেজি ভাষায় লিখিত তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি ভাষান্তর করে পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

‘আপনারা কেমন আছেন। আশা করছি সবাই ভালো আছেন। কিছু পেজ, গ্রুপে আমাকে নিয়ে কৌতুক করা হচ্ছে। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করব, আমাকে নিয়ে কৌতুক করা বন্ধ করুন। এটা নিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। আমি অন্যদের চেয়ে সুন্দর নাও হতে পারি। কিন্তু এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, খুব শিগগির আমি আমার প্রিয় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছি। আপনারা যদি আমাকে ইতিবাচকভাবে সাহায্য এবং সমর্থন না করেন তাহলে আমি বাংলাদেশকে কীভাবে বিশ্বদরবারে তুলে ধরব?’

জেসিয়া আরো লেখেন, ‘একসময় বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রায়েরও দাঁতের সমস্যা ছিল। এটার সঙ্গে সৌন্দর্য্যে্র কোনো সম্পর্ক নেই। আমি বিশ্বাস করি যদি সৌন্দর্য থাকে সেটি প্রকৃতি খুঁজে নেবে।’