গোলাপগঞ্জে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে পৃথক সংঘর্ষ আহত ৬

মাহবুবুর রহমান চৌধুরী:

গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ বাজারে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের পৃথক সংঘর্ষে উভয় পক্ষে অন্তত ৬ জন আহত ও ৮টি মটর সাইকেল ভাংচুরের খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষের সময় এক পক্ষ অপর পক্ষের দিকে ইট, কাচেঁর বোতল নিক্ষেপ করলে বাজারে আতংক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুইপক্ষকে ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও উপজেলা ছাত্রলীগ সূত্রে জানাগেছে যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মটর সাইকেল র‌্যালীকে কেন্দ্র করে সোমবার বিকাল আনুমানিক ৪টায় উপজেলার লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের পুরকায়স্ত বাজারে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়ছল আহমদ ও সাধারন সম্পাদক হেলু মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। অভ্যন্তরীন বিরোধে দুই পক্ষ একই স্থানে র‌্যালীর আয়োজন করেছিল। এদের মধ্যে ফয়ছল ও তার অনুসারী কর্মীরা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খায়রুল হক বলয়ের এবং হেলু ও তার কর্মীরা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক (বর্তমানে সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক) মনসুর আহমদ বলয়ের কর্মী। এই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার জের ধরে রাত ৮টায় ঢাকাদক্ষিণ বাজারের লঞ্চঘর মার্কেটের পাশে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খায়রুল হক সাবেক সম্প্দক মনসুর আহমদের কর্মীরা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এত দুই পক্ষে ৬জন আহত ও ৮টি মটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়। রাত সাড়ে ৯টায় মনসুর আহমদ জানান বিকালের ঘটনার রেশ ধরে খায়রুল গ্রুপের কর্মীরা আমার উপর চড়াও হন এসময় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দুই পক্ষে সংঘর্ষ লাগে। তিনি দাবী করেন সংঘর্ষে সাঈদ,সুফিয়ান,আয়াছ, জাবেদ নামে তাঁর ৪জন কর্মী আহত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। অপর দিকে খায়রুল হক জানান, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ও তার অনুসারীদের ধাওয়ার সূত্র ধরে এই সংঘর্ষ। তিনি দাবী করেন ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী তাঁর অফিসে হামলা সহ প্রায় ৮টি মটর সাইকেল ভাংচুর করে প্রতিপক্ষ। এসময় রুমন , ফাহাস নামে দুই জন কর্মী আহত হন । গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি প্রশাসন) এ কে এম ফজলুল হক শিবলী ঘটনাস্থল থেকে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে পুনরায় সংঘর্ষের আশংকা থাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তিনি আরো জানান দুই পক্ষকে আলোচনায় বসে বিষয়টি সমাধানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।