নতুন করে নির্বাচনের পক্ষে মের্কেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিকে একটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীল এবং সফল দেশ হিসেবে ধরা হয়৷ গত সেপ্টেম্বরে দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও রাজনৈতিক সংকট দেখা দেয়ায় আবার নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে দেশটিতে।

জোট সরকার গঠনের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় নতুন করে নির্বাচনের চিন্তা করছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল।

তিনি বলেছেন, একটি নড়বড়ে সংখ্যালঘু সরকার পরিচালনার চেয়ে তিনি বরং নতুন নির্বাচনের পক্ষে। তবে চ্যান্সেলরের পদ থেকে পদত্যাগের এখনই কোনো কারণ দেখছেন না তিনি।

জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি তাদের ‘আচরণ পুনর্বিবেচনার’ আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই রাজনৈতিক সংকটকে ‘নজিরবিহীন’ বলে অভিহিত করেছেন।

জার্মানির সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের পর ৬০ দিনের মধ্যে সরকার গঠন করতে হবে অথবা নতুন করে নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত জার্মানির জাতীয় নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বর্তমান জোট সরকারের বড় শরিক দল এসপিডি বা সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি পুনরায় জোটে না থেকে সংসদে বিরোধী দল হিসেবে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়ায় নতুন শরিকদের নিয়ে জোট সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। নতুন সরকার গঠনের আলোচনা ভেঙে যাওয়ায় গতকাল সোমবার সব রাজনৈতিক দলের নেতারা জরুরি বৈঠক করেন।

নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল নিজের দলসহ জোট সরকারের আরও দুই শরিক দল কম ভোট পায়। সরকার গঠন করতে তাই নতুন জোটের শরিক হিসেবে ফ্রি ডেমোক্রেটিক পার্টি ও পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টির সঙ্গে চার সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলে। গত রবিবার রাতে জোট সরকার গঠনের এ আলোচনা ভেঙে যায়।

এবারের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোট সরকারের তিন শরিক দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন ও ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়নের ২৪৬ আসন এবং সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি ১৫৩ আসন পায়।

তবে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি জোটবদ্ধ হয়ে ক্ষমতায় যাবে না বলে দলটির চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী মার্টিন শুলজ জানিয়েছিলেন।পরে ম্যার্কেলের ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন ও ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন এবং নতুন সম্ভাব্য শরিক দল ফ্রি ডেমোক্রেটিক।