সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন স্থাপন হচ্ছে

ভারতীয় হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারী রামাকান্ত গুপ্তর সাথে মতবিনিময় করেছেন সিলেট চেম্বার নেতৃবৃন্দ। সোমবার দুপুরে চেম্বার কার্যালয়ে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র উদ্যোগে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ এর সভাপতিত্বে সভায় রামাকান্ত গুপ্ত বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে চমৎকার বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক জোরদারকরণে সিলেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যে সিলেটের গুরুত্ব উপলব্ধি করে ভারতীয় হাই কমিশন সিলেটে সহকারী হাই কমিশন স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এটি স্থাপিত হলে ভিসা সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

তিনি আমদানী-রপ্তানী ও স্থলবন্দর সংক্রান্ত সমস্যাবলী নিরসনে চট্টগ্রামস্থ সহকারী হাই কমিশনে লিখিত পত্র প্রেরণের অনুরোধ জানান।

সভাপতির বক্তব্যে সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ বলেন, সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের মোট কয়লার চাহিদার ৮০ ভাগই আমদানী হয়ে থাকে। কিন্তু মেঘালয় সরকারের নির্দেশে কিছুদিন পর পর কয়লা রপ্তানী বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুদেশের ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্থ হন এবং সরকারও বিপুল পরিমান রাজস্ব হারান। তিনি ভারত থেকে কয়লা রপ্তানী স্থায়ীভাবে বহাল রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভারতীয় হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারীকে অনুরোধ জানান। এছাড়াও তিনি পাথর, চুনাপাথর রপ্তানী অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।
চেম্বার সভাপতি আরো বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর অসংখ্য পর্যটক চিকিৎসা, শিক্ষা ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ভারত সফর করেন এবং আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্যে জড়িত ব্যবসায়ীদের প্রায়ই ভারতে যাতায়াত করতে হয়। তিনি তাদের জন্য ভিসা প্রদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং ব্যবসায়ীদেরকে দীর্ঘমেয়াদী মাল্টিপল ভিসা প্রদানের অনুরোধ জানান।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি মাসুদ আহমদ চৌধুরী ও পরিচালক ফালাহ্ উদ্দিন আলী আহমদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট চেম্বারের পরিচালক জিয়াউল হক, মোঃ হিজকিল গুলজার, মোঃ সাহিদুর রহমান, আব্দুর রহমান, মুজিবুর রহমান মিন্টু প্রমুখ।