বিয়ানীবাজারে সইবন হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার

বিয়ানীবাজারকণ্ঠ ডেস্ক ::

বিয়ানীবাজারের শেওলা সেতুর নীচ থেকে ব্যবসায়ী সৈবন হত্যায় ব্যবহৃত ২টি ছুরি ও ৭টি গামছা উদ্ধার করেছে। আজ শনিবার সকালে রিমান্ডে থাকা প্রধান আসামী জাকিরকে সাথে নিয়ে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ এসব উদ্ধার করে।

রিমান্ডে জাকির হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততা থাকার কথা স্বীকার এবং এ ঘটনার সাথে দেশ বিদেশে থাকা জড়িতদের কথা পুলিশকে জানিয়েছে। আগামীকাল রবিবার জাকিরের ৫ দিনের রিমান্ড শেষ হবে।

পুলিশ জানায়, লাশ আলীনগর ফেলে এসে হত্যায় ব্যবহৃত ১২টি গামছা, ২ ছুরি, মোবাইল, জুতা একত্রিত করে শেওলা নীচের পানিতে ফেলে দেয়। কিন্তু তাদের অনুমান সঠিক না হওয়ায় এসব জিনিস নদীর চরে আটকে যায়। পানির স্রোতে কিছু গামছা, জুতা ও মোবাইল ভেসে গেছে।

লাশ উদ্ধারের পর দিন সিলেটের আখালিয়া ঘাট এলাকার সমছু উদ্দিনের বাড়ির উঠোন থেকে নতুন মডেলের রক্তমাখা নোয়া গাড়ি জব্দ করে। গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেন আখালিয়া ঘাট এলাকার সমছুদ্দিনের পুত্র।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি শাহজালাল মুন্সী বলেন, রিমান্ডে জাকির হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শেওলা সেতুর নীযচে থেকে রক্তমাখা সাতটি গামছা ও ২টি ছুরি উদ্ধার করি। এ অভিযানে আমাদের জাকিরও ছিল। সে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ও গামছা কোথায় রাখা রয়েছে দেখিয়ে দেয়।

প্রসঙ্গত, ২৭ এপ্রিল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কাদিমল্লিক এলাকায় ব্যবসায়ী সৈবনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।