বিয়ানীবাজার থানা থেকে ১৮টি বিষাক্ত সাপ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার ::

বিয়ানীবাজার থানার ভেতর ও থানা এলাকা থেকে ১৮টি বিষাক্ত সাপ আটক করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে একদল সাপুড়ে দিয়ে সাপগুলো আটক করানো হয়। থানার পরিত্যক্ত রেকর্ড রুম থেকে ৮ টি বিংরাজ সাপের বাচ্চা আটক করা হয়েছে। এই রেকর্ড রুমে বর্তমানে রির্জাভ পুলিশ ফোর্সের সদস্যরা বসবাস করেন। এছাড়া পেছনে ডোবার পাশ থেকে দুইটি কিং কোবরা, ওসির বাসভবন এলাকা ও আশপাশ থেকে ৫টি আলদ এবং ৩টি দাড়াস সাপ ধরেছি।

জানা যায়, গত কয়েক মাস থেকে থানায় কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা ও কনেস্টবলরা রাতবিরাতে প্রায়ই সাপের দেখা পান। থানা চত্বরের উত্তরপাশে ওসির বাসভবনের সামন থেকে গত জুন মাসে অজগর সাপের একটি বাচ্চা আটক করে এক কনস্টেবল। একই মাসে থানার আম বাগানে জালে আটকা পড়ে একটি বিষাক্ত গোখরা সাপ। মুলত গোখরা সাপ আটকের পর থেকে সাপ আতংকে তটস্ত ছিলেন থানায় কর্মরতরা। একদল সাপুড়ে থানা এলাকা থেকে সাপ আটকের জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধ ছিটানোর পর সাপগুলো ঝোপঝাড় ও ডোবা এলাকা থেকে বেরিয়ে আসে। সাপুড়ে জালালি একটি কিং কোবরাসহ ১০টি বিষাক্ত ও ৮টি বিংরাজ সাপের বাচ্চা আটক করেন। সাপুড়ের দলকে আক্রমন করায় একটি কিং কোবরা সাপকে তাৎক্ষণিক মেরে ফেলা হয়।

সুমানগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলা থেকে সাপ আটক করতে সাপুড়ে বুরহান উদ্দিন জালালি ছুটে আসেন। তিনি বলেন, থানার রেকর্ড রুম থেকে বিংরাজ সাপের আটটি বাচ্চা আটক করেছি। এছাড়া পেছনে ডোবার পাশ থেকে দুইটি কিং কোবরা, ওসির বাসভবন এলাকা ও আশপাশ থেকে ৫টি আলদ এবং ৩টি দাড়াস সাপ ধরেছি।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজালাল মুন্সী বলেন, থানায় সাপের উৎপাত আছে সেটি আগে থেকেই জানতাম। কিন্তু এখানের আসার পর যখন তখন সাপের দেখা পাই। এর মধ্যে আম বাগানের জালে বিষাক্ত গোখরা সাপ আটক হওয়ার পর আতংক বেড়ে যায়। অনেক চেষ্টার পর ছাতক থেকে সাপুরে জালালিকে সাপগুলোর ধরার জন্য নিয়ে আসি। এতোগুলো সাপ আটকের পর আতংক কিছুটা হলেও কেটেছে। পরিত্যক্ত রেকর্ড় রোমে বর্তমানে পুলিশ রির্জাভ পুলিশ ফোর্সের সদস্যরা বসবাস করেন। এখান থেকে ৮ টি বিংরাজ সাপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে।