বিরল রোগে আক্রান্ত মেধাবী ছাত্রী ইয়াছমিন, সাহায্য কামনা

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি :

ধীরে ধীরে অন্ধকার হয়ে আসছে গোলাপগঞ্জের মেধাবী ছাত্রী ইয়াছমিনের (১০) পৃথিবী। বিরল রোগে আক্রান্ত ইয়াছমীনের দুই চোখ দিন দিন ছোট হয়ে আসছে। লেগে যাচ্ছে দুটি চোখের পাতা।

বিরল এ রোগে আক্রান্ত কন্যাসন্তানকে বাঁচাতে মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্যের হাত বাড়িয়েও চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ না পাওয়ায় থামছে না বাবা সিএনজি চালক চেরাগ আলীর কান্না। কোনো উপায় না পেয়ে বাবা মেয়ের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের হাজীপুর লরিফর (সাতঘরী) গ্রামের চেরাগ আলীর মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার। সে গ্রামের লরিফর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ইয়াছমিন এ বছর সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। কিন্তু চোখের সমস্যার কারণে ইতিমধ্যে তার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে।

ইয়াছমিনের পিতা চেরাগ আলী জানান, প্রায় ৫ বছর বয়স থেকে মেয়ের চোখের সমস্যা দেখা দেয়। সে সময় চিকিৎসার মাধ্যমে এই সমস্যাটি দূর হয়ে যায়। এখন আবারো এই সমস্যা দেখা দিলে সিলেটের চক্ষু বিভাগের কয়েকজন বড় ডাক্তারকে দেখাই। তারা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করলে সেখানে ইয়াছমিনকে নিয়ে ভর্তি হয়ে ১৪ দিন থাকি। কিন্তু চিকিৎসকরা অনেক টেস্ট করেও তার রোগ ধরতে না পেরে তারা ঢাকা চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকায় নিয়ে যেতে হলে অনেক টাকার প্রয়োজন। কিন্তু আমার সামান্য আয়ে এতো টাকা যোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি তার মেয়ের জীবনের আলো ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সকল বিত্তবানদের প্রতি সাহায্য কামনা করেছেন।

লরিফর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান জানান, ইয়াছমিন খুবই মেধাবী ছাত্রী। প্রথম শ্রেণী থেকেই সে ক্লাসে ১ নম্বর হয়ে উত্তীর্ণ হয়ে আসছে। চোখের এই বিরল রোগের কারণে এখন তার স্কুলে যাওয়া বন্ধ। এমন মেধাবী মুখকে বাঁচাতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

ইয়াছমিনকে সহযোগীতা পাঠাতে যোগাযোগের নম্বর- ০১৭১৯৮৪১০৯১। নম্বরটি তার বাবা চেরাগ আলীর।