বিয়ানীবাজারে তিন পরিবহণ শ্রমিক নেতার মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার ::

বিয়ানীবাজারে তিন পরিবহণ শ্রমিকের ওপর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে পরিবহণ শ্রমিকরা। শনিবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় পৌরশহরের উত্তরবাজার মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের সামনে সর্বস্তরের শ্রমিকবৃন্দের ব্যানারে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন দুবাগ বাজার মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের সভাপতি রয়েল আহমদ, দক্ষিণবাজার মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড কমিটির সভাপতি আব্দুল হাসিব ও উত্তরবাজার মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের সাধারণ সদস্য সাহেদুর রহমান মুন্না।

এসময় বিয়ানীবাজার মাইক্রোবাস শ্রমিক উপকমিটির তিন শ্রমিক নেতার অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন- তিন পরিবহণ শ্রমিক নেতৃবৃন্দের ওপর মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে আমাদের তিন শ্রমিক নেতার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি, নতুবা বিয়ানীবাজারের সর্বস্তরের শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে। বক্তারা আরো বলেন- আমরা নৈরাজ্য নয়, শান্তি চাই। সিলেট জেলা পরিহণ শ্রমিক নেতৃবৃন্দদের বলছি, আপনারা বিয়ানীবাজারে এসে এখানকার অবস্থা নিজের চোখে দেখুন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় উত্তর ও দক্ষিণবাজার মাইক্রোবাস উপকমিটি, সারপার, বারইগ্রাম, থানা বাজার, দুবাগ বাজার, মাথিউরা ও দাসউরা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের সর্বস্তরের শ্রমিকবৃন্দ অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই পৌরশহরের দক্ষিণবাজারে বাস ও মাইক্রোবাস পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের বিয়ানীবাজার উপকমিটির উপনির্বাচন নিয়ে শ্রমিকদের দুটি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একজন শ্রমিক নেতা আহত হওয়াকে কেন্দ্র করে সিলেট জেলা বাস ও মাইক্রোবাস পরিবহণ শ্রমিক সমিতির সভাপতিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন বিয়ানীবাজার উপকমিটির সভাপতি বিলাল আহমদ, সাধারণ স্পম্পাদক খায়রুল ইসলাম লিটন ও সাধারণ সদস্য আয়নুল ইসলামসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে এ মামলায় পরবর্তীতে পরিবহণ শ্রমিক নেতা বিলাল, লিটন ও আয়নুল হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করেন।

সবশেষে গত রোববার এ মামলায় জামিন আবেদন চেয়ে নিম্ন আদালতে উপস্থিত হলে বিজ্ঞ আদালত তাদেরকে কারাগারে প্রের নির্দেশ দেন।