বিয়ানীবাজারের হাটবাজারগুলোতে জনসমাগম কমছেই না!

স্টাফ রিপোর্টার ::

বিয়ানীবাজার পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকাসহ উপজেলার গ্রামীণ হাটবাজারগুলোতে কোনভাবেই কমছেনা মানুষের অবাধ চলাচল। অনেকেই অকারণেই অলস সময় পার করছেন বাজারের চায়ের দোকান কিংবা অলি-গলিতে। গত বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনী ও পুলিশের রাউন্ড দেখতেও অনেক উৎসুক জনতা রাস্তার পাশে দাড়িয়ে অপেক্ষমান ছিলেন এমন দৃশ্যও চোখে পড়েছে।

সারাদেশে করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও রাত ৮ টার পরে গ্রামীণ হাটবাজারে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। ফলে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছেন গ্রামাঞ্চলের মানুষ। জানা গেছে, পৌর শহরতলী বিভিন্ন এলাকাসহ উপজেলার লাউতা, মাথিউরা, তিলপারা, দুবাগ, কুড়ারবাজার, মুড়িয়া ও চারখাই ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজারে অপ্রয়োজনে অযথা ঘুরে বেড়াচ্ছেন অনেকেই। এতে ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে জেনেও সচেতন হচ্ছে না মানুষ। প্রশাসন থেকে জনসমাগম না করতে, অপ্রয়োজনে বাইরে না বেরুতে কিংবা গ্রামীণ বাজারের চায়ের দোকানগুলো খোলা না রাখতে মাইকিং করে নির্দেশনা দিলেও মানছেন অনেকেই।
অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি দেশে আসা বিদেশ ফেরতরাও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে। ফলে গ্রামীণ হাটবাজারগুলোতে জনসমাগমের কারণে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা নভেল করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। এসব জনসমাগমের বিষয় বিভিন্ন এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা প্রশাসনকে মুঠোফোনে অবগত করেছেন। অনেকে আবার জনসমাগমকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধও জানাচ্ছেন। স্থানীয়দের দেয়া খবরের ভিত্তিতে পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে জনসমাগম এড়াতে একশনও নিয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনী।

জনসমাগম হওয়ার বিষয়ে বিয়ানীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. আব্দুস শুকুর বলেন, আমরা প্রত্যক্ষ করেছি সন্ধ্যার পর থেকে কিছু উৎসুক মানুষজন অকারণে শহরে আসছে। পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানেও জনসমাগম হচ্ছে। প্রশাসন ও আইনশৃংখলা বাহিনীকে বলবো আগামীকাল থেকে তারা যেন আরো কঠোর হয়।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শংকর কর বলে, আমরা উপজেলার গ্রামীণ বাজারগুলোতে পুলিশের টহল বৃদ্ধি করেছি। আইন অমান্যকারীদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নিবে পুলিশ।