বিয়ানীবাজারে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে করোনাক্রান্ত পল্লী চিকিৎসকের লাশ

পালিয়েও মৃত্যু থেকে বাঁচতে পারেননি বিয়ানীবাজারের করোনা রোগী আবুল কাশেম। বুধবার দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় তার মরদেহ বিয়ানবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের মাটিজুরা টুকা গ্রামস্থ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

কাশেমের দাফনকালে বিয়ানীবাজার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খুশনুর রুবাইয়াত, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু ইসহাক আজাদ, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অবণী শংকর করসহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে ১০ সদস্যের একটি স্বেচ্ছাসেবী দল তার দাফন কাজে অংশ নিবে। নিহতের পরিবার কিংবা আত্মীয়স্বজন কেউ দাফন কাজে অংশ নিতে না পারলেও তারা যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম পরে জানাযার নামাজে অংশ নিতে পারবেন বলে জানান বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু ইসহাক আজাদ।

এর আগে বুধবার রাত ২টার দিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিনুল ইসলাম শাহিন তার মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়া আবুল কাশেমকে। পরে সেখানে ভর্তি হওয়ার ঘন্টা দুয়েক পর তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য এবং পল্লী চিকিৎসক। একই ইউনিয়নের মাটিজুরা টুকা গ্রামে তার বাড়ি। আবুল কাশেম পার্শ্ববর্তী গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেপাশা ইউনিয়নের আছিরগঞ্জ বাজারের একজন পল্লী চিকিৎসক এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন একটি ভবনে স্বপরিবারে তিনি ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। তিনি বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার ঐক্য কল্যাণ সোসাইটি গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক।