সুরমা-কুশিয়ারায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

অবিরাম বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে বিয়ানীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ক্রমেই বাড়ছে নদনদী আর নি¤œাঞ্চলের পানি।

রবিবার দুটি পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে সুরমা। এছাড়াও বাড়ছে কুশিয়ারাসহ অন্যান্য নদীর পানির উচ্চতা বাড়ছে। যা শঙ্কা বাড়াচ্ছে বড় আকারের বন্যার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট কার্যালয় জানিয়েছে, রবিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কাল শনিবার সন্ধ্যা ৬ টায় এ পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়।

আর সুরমা নদীর পানি রবিবার সিলেট পয়েন্টেও বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ১০.৫৪ মিটার। আজ রবিবার বেলা ১২টায় একই সময়ে পানির উচ্চতা দাঁড়িয়েছে ১০.৮১ মিটার। যা বিপদসীমা ১ সেন্টিমিটার উপরে।

কুশিয়ারা নদীর পানির উচ্চতা আমলশিদ পয়েন্টে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ১৪.৮৩ মিটার ছিল। আজ রবিবার বেলা ১২টায় উচ্চতা বেড়ে হয়েছে ১৪.৯৪ মিটার। শেওলা পয়েন্টে কুশিয়ারার পানির উচ্চতা শনিবার সন্ধ্যায় ছিল ১২.১৫ মিটার। রবিবার বেলা ১২টায় উচ্চতা বেড়ে হয়েছে ১২.৩৩ মিটার। শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারার পানির উচ্চতা কাল ছিল ৭.৬৩ মিটার, আজ বেলা ১২টায় হয়েছে ৭.৭৩ মিটার।

সুরমা-কুশিয়ারায় পানি বাড়লেও কিছুটা কমেছে সারি ও লোভা নদীর পানি। শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় সারি নদীর পানি সারিঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। আজ বেলা ১২টায় পানি বিপদসীমার নিচে নেমে এসেছে। প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে।

এদিকে, কানাইঘাটের লোভা নদীর পানি গতকালের ১৫.০০ মিটার থেকে কমে আজ দুপুরে দাঁড়িয়েছে ১৪.৭৮ মিটার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, নদীর পানি বাড়তে থাকায় সিলেটের জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট উপজেলার নিম্নাঞ্চল ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।

সিলেটের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। ফলে নদীর পানি বাড়তে পারে।